
Campus News
বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৫ উদযাপন
Dec 08, 2025
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে “বিশ্ববিদ্যালয় দিবস–২০২৫”। দিবসটির প্রতিপাদ্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে সামনে রেখে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সকাল ৯:০০ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে সকাল ৯:২০ ঘটিকায় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহম্মেদ বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস–২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী পর্বে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, গবেষণা-সংস্কৃতি ও শিক্ষাখাতে আধুনিকায়নের চলমান পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এরপর সকাল ৯:৪০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯:৫০ ঘটিকায় ক্যাম্পাস থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি বের হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশ প্রদক্ষিণ করে।
সকাল ১০:৩০ মিনিটে ক্যাম্পাসের সেমিনার রুমে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অগ্রগতি, শিক্ষা-গবেষণায় মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে বক্তারা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাম্প্রতিক অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি এবং নাটিকা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহম্মেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ ফারক হোসেন।
সমস্ত কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যথাযথ শৃঙ্খলা ও উৎসাহ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা, গবেষণা, মানবিকতা ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে নতুন অঙ্গীকারের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন।